কনওয়ে এমএসএনবিসি টেলিভিশনকে জানান, ট্রাম্প এখন সবার প্রেসিডেন্ট। এমনকি হিলারির দলেরও। দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি জানিয়েছেন, হিলারির বিরুদ্ধে তদন্ত জারি রাখা হবে না। এতে একটি শক্তিশালী বার্তা সবাইকে দেওয়া হয়।
কনওয়ে আরও বলেন, আমি মনে করি হিলারিকে বেশির ভাগ মার্কিনি বিশ্বাস করেন না। ট্রাম্প যদি তাকে (হিলারি) পরাজয়ের ধাক্কা সামলে ওঠতে সহযোগিতা করেন তাহলে তা হবে একটি ভালো কাজ।
৮ নভেম্বর ট্রাম্পের জয়ের পরও এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কনওয়ে। তখন তিনি ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওই সময় কনওয়ে জানান, এখনই প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট হিলারি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন না নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ওই সময় কোনওয়ে বলেছিলেন, ‘ট্রাম্প এবং তার ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাইছেন। তবে আমরা গত কয়েকদিনে হিলারির পুনঃতদন্ত নিয়ে কোনও আলোচনা করিনি। আমি মনে করি, এসব কথা বলার সময় এটা নয়।’
তিনি এ সম্পর্কে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে আরও বলেন, ‘আমরা গতরাতে এ বিষয়ে আলোচনা করিনি, আর হিলারির সঙ্গে ফোনেও ট্রাম্পের এ বিষয়ে কোনও কথা হয়নি। হিলারি কেবল ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাতেই ফোন করেছিলেন।’ ট্রাম্প তার বিজয়ী ভাষণেও ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘সকল বিভক্তি ভুলে আমাদের আমেরিকাকে মহান করে তুলতে হবে।’ ওই সময়ে তিনি হিলারির প্রশংসাও করেছেন।
এর আগে বিভিন্ন নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে প্রথম যে কাজটি তিনি করবেন, তা হলো হিলারির ইমেইল ও ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের তদন্ত শুরু করা। তিনি হিলারিকে কারাগারে দেখতে চান বলেও বিভিন্ন সমাবেশে উল্লেখ করেছেন। নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি হিলারির বিষয়ে তদন্ত চালাতে একজন স্পেশাল প্রসিকিউটর নিয়োগ দেবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সূত্র: বিবিসি।
/এএ/