আপিল খারিজ করে দেওয়া রায়ে বলা হয়েছিল, আপত্তি তোলা কিছু শব্দ এক্সপাঞ্চ করা হবে। সে অনুযায়ী, হাইকোর্টের রায়ের যেসব শব্দ নিয়ে আদালতের বন্ধু আইনজীবীরা আপত্তি তুলেছিলেন সেগুলো এক্সপাঞ্চ করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্ট থেকে দেওয়া পর্যবেক্ষণের অংশ তুলে ধরে তা কেন এক্সপাঞ্চ করা হয়েছে, তা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে পরস্পরের মধ্যে কী ধরনের অবস্থান থাকা উচিত, সেটি বিবরণীতে রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আদালত বা বিচারকরা সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মর্যাদাহানিকর মন্তব্য করতে পারেন না। আদালত ও পার্লামেন্টের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সংহতি থাকা উচিত। পাশাপাশি সংসদেরও সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়, যা পার্লামেন্টের কার্যক্রম সম্পর্কিত সাংবিধানিক ধারা ৭৮(২) এবং ২৭০ এবং ২৭১ নম্বর রুলসে নিষিদ্ধ।
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল চেয়ে রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘আপিল বিভাগের শুনানিতে হাই কোর্টের রায়ের কিছু শব্দ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন অ্যামিকাস কিউরি। আদালত রায় দেওয়ার সময় হাই কোর্টের রায় বহাল করার পাশাপাশি আপত্তি ওঠা শব্দগুলো এক্সপাঞ্চ করে দেওয়ার কথা জানান। কোন কোন বিষয় এক্সপাঞ্চ করলো, এখন জানা যাবে।’
/ইউআই/ এমএনএইচ/