সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর)বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর এ রায় প্রকাশ হয়েছে বলে তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের রিটকারীর আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমাদ।
এর আগে মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতিবন্ধী ছেলে মোস্তফা মাসুদ ২০১৬ সালে মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা আশানুরূপ দেওয়ার পরও মোস্তফা মাসুদকে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়। পরে খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে আবেদন করা হলেও কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে পৃথক বিধি প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে ২০১৭ সালে মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন।
ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালে বিচারপতি কাজী রেজা উল হকের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। হাইকোর্ট রুল জারির পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ মোস্তফা মাসুদকে জেএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য দেখান।
এরপর ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মোস্তফা মাসুদ দুই বিষয়ে আবারও অকৃতকার্য হন। তখন মাসুদের খাতা পুনর্মূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন করেন তার বাবা মোস্তাফিজুর রহমান। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ পুনরায় রুল জারি করেন।