সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যার পর রাজধানীর একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাবের গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সাহাবউদ্দিন হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়া করোনা পরীক্ষা এবং ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া ফয়সাল আল ইসলাম এজহারভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, সাহাবউদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করে র্যাব। ওই মামলায় এজহারভুক্ত দুই আসামি হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আবুল হাসনাত (৫২) এবং ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদিরকে (৩৩) আগেই গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রবিবার (১৯ জুলাই) বিকালে রাজধানীর গুলশানে সাহাবউদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। করোনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে। নেগেটিভ রোগীকে করোনা পজিটিভ বলে হাসপাতালে ভর্তি রেখে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি পেয়েছে র্যাব।
আরও পড়ুন:
সাহাবউদ্দিন হাসপাতালের এমডিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা
‘ভুয়া রিপোর্ট’ এলো কীভাবে, জানে না সাহাবউদ্দিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
রোগী স্থানান্তরের পর সিলগালা করা হবে সাহাবউদ্দিন মেডিক্যাল
নেগেটিভ রোগীকে করোনা পজিটিভ ঘোষণা দিয়ে ভর্তি রেখেছিল সাহাবউদ্দিন মেডিক্যাল