আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “অপরাধীর কোনও দল, মত বা সামাজিক শ্রেণি নেই। পুলিশকে কোনও ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়, বরং জনগণের কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
সোমবার (১৩ জুলাই) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে জুন মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, “থানা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাইকারী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে।” কোনও ধরনের অপরাধ যাতে থানা এলাকায় সংঘটিত হতে না পারে, সেই লক্ষ্যে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হবে। অপরদিকে দায়িত্বে অবহেলা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতে সামনের দিকে আরো এগিয়ে যাবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিএমপি কমিশনার।
মাসিক অপরাধ সভায় জুন মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।
অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, সহকারী পুলিশ কমিশনারগণ, ডিএমপির সব থানার অফিসার ইনচার্জগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।