চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে পঞ্চম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় একটি ফোনালাপ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ উপস্থাপিত ফোনালাপটি ওবায়দুল কাদের ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশের।
ফোনালাপটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
শেখ ফজলে শামস পরশ: জি, আসসালামু আলাইকুম। হ্যালো, আসসালাম আলাইকুম। হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম। হ্যালো। হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম, কাকা।
ওবায়দুল কাদের: কাকা, তুমি তো খালি বাইরে বাইরে থাকলে, কেন?
শেখ ফজলে শামস পরশ: না, আমি আছি তো। আমি বাইরে থাকলেও আমি সার্বক্ষণিক প্রতিটা ঘণ্টায় আপনাদের সাথে আছি।
ওবায়দুল কাদের: এখন বাহিরে থাকা...
শেখ ফজলে শামস পরশ: আপনি জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। আমি তো অনেক আগে গেছি। আমি গেছি ২৫ তারিখ। কিন্তু তারপরে প্রত্যেকটা দিন আমি আপনাদের সাথে ছিলাম। হ্যাঁ।
ওবায়দুল কাদের: ফিজিক্যালি থাকাটা।
শেখ ফজলে শামস পরশ: জি, বলেন। আবার বলেন।
ওবায়দুল কাদের: ফিজিক্যালি থাকাটা হলো...
শেখ ফজলে শামস পরশ: হ্যাঁ, হ্যাঁ, তা তো বটেই। তা তো অবশ্যই অবশ্যই। সেই জন্য চলে আসছি অবশ্যই, অবশ্যই, অবশ্যই।
ওবায়দুল কাদের: কালকের র্যালিতে...
শেখ ফজলে শামস পরশ: জি।
ওবায়দুল কাদের: ম্যাক্সিমাম যাতে প্রেজেন্স থাকে।
শেখ ফজলে শামস পরশ: হ্যাঁ। আমরা এটা প্রস্তুতি নিচ্ছি। জি, অবশ্যই।
ওবায়দুল কাদের: সে জন্য তোমাকে ফোন করি।
শেখ ফজলে শামস পরশ: না, না, থ্যাংক ইউ। ঠিক আছে। জি, আমি ফোন দিচ্ছি সব জায়গায়। জি, জি, জি, চাচা। আসসালামু আলাইকুম।
এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।