রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির দিন রাখা হয়েছে মঙ্গলবার।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের ঢাকা দক্ষিণের বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক মো. রায়হান উদ্দিন (৩৫), রাসেল খান (৩২), আলা উদ্দিন (২৮) ও আব্দুল্লাহ মাসহুর আশরাফী (২০)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,‘‘মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আসেননি। এজন্য আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।’’
গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও দেখে একজনকে শনাক্ত করার পর শনিবার বংশাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাত সোয়া ১২টার দিকে লালবাগের জেন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ের একটি পিলারের পাশে ইটের খোয়ার বস্তার মধ্যে লাল রঙের কসটেপে মোড়ানো চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল, আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার এসআই জুয়েল রানা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে শনিবার মামলা দায়ের করেন।