সংসদ ভবনের দক্ষিণে ন্যাম ভবনের ওই ফ্ল্যাটে প্রথম স্ত্রী ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তবে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করার দিন, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে ছিলেন তিনি। পরে বাসায় গিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মো. মাহবুবুর রহমান।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গাজী নজরুল ইসলামের আইনজীবী।
এর আগে, দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় গাজী নজরুল ইসলামকে ৪ দিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে একদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত রিমান্ড বিষয়ে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, সংসদ ভবনের ন্যাম ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। রবিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত তিনি একটি মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে ছিলেন। সেখান থেকে বাসায় গেলে দেখেন তার সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী মরিয়ম আক্তার আত্মহত্যা করেছেন।
আইনজীবী বলেন, এই আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের জন্য গাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থাপন করেছে। একই সঙ্গে তার প্রথম স্ত্রীকেও আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়।
সোমবার আদালতে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। শুনানি শেষে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকসুদা বেগমের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা উনার পক্ষে বিজ্ঞ আদালতে বলেছি যে উনি সম্পূর্ণ নির্দোষ। একটা আত্মহত্যার ঘটনা, এটা একটা দুর্ঘটনা। উনাকে রিমান্ডে নেওয়ার কোনও যৌক্তিকতা নেই।’
তিনি বলেন, মামলার তথ্য ও সত্য উদঘাটনের জন্য আদালত গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তার স্ত্রীকে একদিনের রিমান্ড দিয়েছেন।