লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে থাকা প্রায় ৩০০ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এ তথ্য জানানোর পর নদীর তীরে থাকা অবশিষ্ট প্ল্যাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে রবিবার (৮ নভেম্বর) নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ বন্ধে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন দায়ের করলে ২০১০ সালে হাইকোট রায় দিয়ে কিছু নির্দেশনা দেন। পরবর্তী সময়ে বাদিপক্ষের এক সম্পূরক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই নির্দেশনা অনুসারে বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ বন্ধে লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকায় নদীর তীরে থাকা প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য অপসারণে চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর আদেশ দেন।
আবেদনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, আজ বিআইডব্লিউটিএ’র পক্ষে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে প্রতিবেদন দাখিল করে প্রায় ৩০০ টন বর্জ্য অপসারণের বিষয় আদালতকে জানানো হয়। কিন্তু সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে এ বলে কোনও বর্ণনা দেওয়া হয়নি। আদালতের নির্দেশনা ছিল, সম্পূর্ণ অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যাতে এখানে কেউ প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলতে না পারে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে আদালতকে জানানো।