রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় এই ৬ জিনিস সময় মতো বদলাচ্ছেন তো?

রান্নাঘরের কোনায় পড়ে থাকা মসলার বয়ামটি অনেকদিনের পুরনো নয় তো? পুরনো নন-স্টিক প্যানে ফাটল দেখা দিলেও গড়িমসি করে বদলে ফেলা হচ্ছে না? এগুলো কিন্তু আপনার ও পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। নির্দিষ্ট সময় পরপর রান্নাঘরের কিছু জিনিস বদলে ফেলা প্রয়োজন। জেনে নিন সেগুলো কী কী। 

  1. অনেক মসলা নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না। ফলে অনেক দিন আগে কেনা হলেও রয়ে যায় র‍্যাকের কোনায়। মসলার প্যাকেট খোলার পরে এগুলো ধীরে ধীরে গন্ধ ও স্বাদ হারাতে শুরু করে। প্রতি ৬ থেকে ১২ মাস পর এগুলো বদলে নতুন মসলা কিনুন। আস্ত মসলা দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে। মসলার সতেজতা বজায় রাখতে সরাসরি তাপ এবং সূর্যালোক থেকে দূরে বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন। মসলার বয়ামে লেবেলে নাম ও তারিখ লিখে রাখুন।
  2. আমাদের সবার রান্নাঘরেই থাকে হাত মোছার তোয়ালে। সময়ের সাথে সাথে ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুর আনাগোনা বেড়ে যায় এগুলোতে। রান্নাঘর পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে নিয়মিত এগুলো বদলে ফেলতে হবে। চেষ্টা করুন প্রতিদিন গরম পানি দিয়ে তোয়ালে ধুয়ে ফেলতে। কয়েকটি তোয়ালে কিনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এগুলো ব্যবহার করুন। 
  3. নন-স্টিক প্যানে যেমন দ্রুত রান্না হয়, তেমনি সহজে পরিষ্কারও করা যায়। তবে নিয়মিত নন-স্টিক প্যান ব্যবহার করলে আবরণ ক্ষয়ে যেতে পারে। এতে তৈরি হয় স্বাস্থ্যঝুঁকি। সাধারণত নন-স্টিক প্যানগুলো প্রতি ২-৩ বছর পর বদলে ফেলা ভালো। তবে এর আগেই আবরণ নষ্ট হয়ে যাওয়া শুরু করলে সাথে সাথে বদলে নিন।
  4. কাঠের কাটিং বোর্ড অনেকদিন টেকে। তবে এগুলোতে ফাটল তৈরি হলে ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে যদি আপনি নিয়মিত কাঠের কাটিং বোর্ডটি ব্যবহৃত হয়। এইধরনের বোর্ড প্রতি কয়েক বছর পর পর বদলে ফেলা ভালো। 
  5. প্লাস্টিক স্টোরেজ কন্টেইনার বেশিদিন ধরে পুনঃব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। সময়ের সাথে সাথে প্লাস্টিক ভেঙে যায় এবং রাসায়নিক খাবারে প্রবেশ করে। যদি দেখেন প্লাস্টিকের খাবারের পাত্রে ফাটল দেখা দিয়েছে বা দুর্গন্ধ বের হচ্ছে, তবে এগুলো ফেলে দিন। 
  6. আমরা অনেকেই বাসন পরিষ্কারের স্পঞ্জগুলো বদলে ফেলার ব্যাপারে উদাসীন থাকি। এঁটো বাসন পরিষ্কার করা এসব স্পঞ্জ ধীরে ধীরে ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে। প্রতি ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর পর রান্নাঘরের স্পঞ্জগুলো নতুন করে কিনে নিন। 


তথ্যসূত্র: এনডিটিভি