বর্ষা মানেই দিনভর বৃষ্টি। একটানা বৃষ্টিতে নানা ধরনের বিড়ম্বনা বাড়ে। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় চিনি বা লবণ জমাট বেধে যাওয়া, বিস্কুট দ্রুত নরম হয়ে যাওয়া বা আটা বা চালে পোকা হওয়ার পাশাপাশি মশা বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এমনই কিছু বিড়ম্বনার সমাধান জেনে নিন।
- শুকনো পার্সলে পাতা লবণ ও চিনিকে ভিজে যাওয়া থেকে রোধ করতে পারে। লবণদানিতে লবণ রাখার আগে একেবারে তলায় খানিকটা (পাত্রের চার ভাগের এক ভাগ) শুকনো পার্সলে পাতা রেখে দিন।
- রান্নাঘরের পোকামাকড় দূর করতে প্রতিদিন ভালো করে পরিষ্কার করুন ও সপ্তাহে একদিন কীটনাশক ব্যবহার করুন। ভেজা আবহাওয়ায় চাল বা বিভিন্ন শস্যের পোকা দূর করতে কয়েকটি শুকনা মরিচ, লবঙ্গ বা তেজপাতা ফেলে দিন বয়ামের ভেতরে।
- স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় দেয়াল থেকে খসে পড়তে শুরু করে চুনকাম। আলমারিতে রাখা পোশাকে ফাঙ্গাস দেখা দেয়। ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে দরজা জানালা খোলা রাখবেন।
- লবণ এবং চিনির বয়ামে ব্লটিং পেপারের টুকরো রেখে দিতে পারে। আর গলে যাবে না এগুলো।
- দিনের পর দিন সূর্যের দেখা না মেলার কারণে ভেজা কাপড় সহজে শুকানো সম্ভব হয় না। এতে দুর্গন্ধময় ও স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ে পোশাক। এই পরিস্থিতি সামলাতে কাপড় ধোয়ার পর খুব ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিন। স্টিম আয়রন, হেয়ার ড্রায়ার কিংবা ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করে কাপড় শুকাতে পারেন।
- বর্ষার একটা সাধারণ সমস্যা হচ্ছে পোশাকে তিলা পড়ে যাওয়া। সাদা সুতি পোশাকে কালো তিলা পড়ে যায় দ্রুত। এ থেকে মুক্তি পেতে সুতি পোশাক বৃষ্টিতে ভিজলে দ্রুত ধুয়ে ফেলতে হবে তিলা পড়ে গেলে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিন। কালো দাগ চলে যাবে।
- বর্ষাকালে পিঁপড়ার আনাগোনা বেড়ে যায়। পিঁপড়া দূর করার জন্য লেবুর রস, দারুচিনি গুঁড়া এবং পুদিনা পাতার গুঁড়া দিয়ে একটা মিশ্রন বানিয়ে ফেলুন। এটি পিঁপড়ার বাসার আশেপাশে ছড়িয়ে দিন। দূর হবে পিঁপড়া।
- বর্ষায় জামাকাপড় ধোয়ার সময় ব্যবহার করতে পারেন ভিনেগার। বড় একটি বালতির পানিতে ১ কাপ সাদা ভিনেগার সিয়ে পোশাক কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ভিনেগার পোশাকের সাদা দাগ এবং গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।