তালের বড়ায় ক্ষীরের মিষ্টি চমক, বাড়িতেই বানান পুরভরা সুস্বাদু পদ

পাকা তাল, চালের গুঁড়ো আর ময়দার মিশ্রণে তৈরি তালের বড়া এমনিতেই বাঙালির বেশ পছন্দের। এবার সেই চেনা রেসিপিতে একটু নতুনত্ব আনতে পারেন ক্ষীরের পুর দিয়ে। বাইরে মুচমুচে তালের আবরণ আর ভেতরে নরম, মিষ্টি ক্ষীর দুই স্বাদের এই খাবার যে কোনও মিষ্টিপ্রেমীর মন ভালো করে দিতে পারে।

যা লাগছে

এই পদ তৈরি করতে এক কাপ পাকা তালের ক্বাথ, এক কাপ চালের গুঁড়ো, আধ কাপ ময়দা, সাড়ে তিন-চতুর্থাংশ কাপ চিনি বা গুড়, আধ চা চামচ মৌরি গুঁড়ো এবং সামান্য নুন লাগবে। পুরের জন্য এক কাপ খোয়া ক্ষীর বা মাওয়া, সামান্য কাজুবাদাম কুচি ও কিসমিস রাখুন। বড়া ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো সাদা তেল বা ঘি লাগবে।

যেভাবে বানাবেন

প্রথমে একটি পাত্রে পাকা তালের ক্বাথের সঙ্গে চিনি বা গুড় ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। চিনি বা গুড় সম্পূর্ণ গলে গেলে তাতে মৌরি গুঁড়ো ও সামান্য লবণ যোগ করুন। এরপর অল্প অল্প করে চালের গুঁড়ো ও ময়দা মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি ঢেকে প্রায় ১০ মিনিট রেখে দিন।

এ বার তৈরি করতে হবে ক্ষীরের পুর। একটি পাত্রে খোয়া ক্ষীরের সঙ্গে সামান্য চিনি, কাজুবাদাম কুচি ও কিসমিস মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। এই মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে গোল করে পুর তৈরি করে রাখুন।

এর পর হাতের তালুতে সামান্য তেল বা জল লাগিয়ে তালের মিশ্রণ থেকে কিছুটা নিন। সেটি হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে মাঝখানে একটি ক্ষীরের পুর বসিয়ে চারদিক থেকে ভালোভাবে মুড়ে দিন। পুর যেন বাইরে বেরিয়ে না আসে, সে দিকে খেয়াল রেখে বড়ার আকার দিন।

কড়াইতে তেল বা ঘি মাঝারি আঁচে গরম করে একে একে বড়াগুলি ছেড়ে দিন। আঁচ মাঝারি থেকে কম রেখে ধীরে ধীরে উল্টেপাল্টে ভাজুন। বড়ার বাইরের অংশ সুন্দর সোনালি ও মুচমুচে হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে নিন।

কিছুটা ঠান্ডা হলেই পরিবেশন করুন গরম গরম ক্ষীরের পুরভরা তালের বড়া। বাইরে তালের মিষ্টি স্বাদ আর ভিতরে নরম ক্ষীরের পুর প্রতিটি কামড়েই মিলবে অন্য রকম স্বাদের আনন্দ।