পরীক্ষার সময় রাত ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের এক আবাসিক ছাত্রী নিজ কক্ষে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার কথা জানতে পেরে তার রুমমেটরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে হলের দুই কর্মচারীর সহযোগিতায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চিকিৎসা নেওয়ার পর পরদিন হলে ফেরেন ওই ছাত্রী। তার ভাষ্য, হলে ফেরার পর তাকে হলে থাকতে দেওয়া হয়নি। স্থানীয় অভিভাবকের বাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় তাকে।
ঘটনাটি শুধু একজন ছাত্রীর অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয় নয়। এর মাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, রাতে আবাসিক হলে কোনও শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরি মুহূর্তে তাকে কীভাবে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়, হলগুলোতে প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি সরঞ্জাম রয়েছে কি না এবং কোনও শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল সেন্টারে পৌঁছানোর আগেই বিশ্ববিদ্যালয় কতটা প্রস্তুত থাকে।
২০২৫ সালের আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ছাত্রী আসমা আক্তার লিজার মৃত্যুর পরও একই ধরনের প্রশ্ন উঠেছিল।
লিজার মৃত্যুর পর প্রতিশ্রুতি
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট মারা যান লিজা। তার মৃত্যুর পর শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, হলে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্ট্রেচার ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তার ঘাটতি রয়েছে।
লিজার মৃত্যুর পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেয়। মেডিক্যাল সেন্টারের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তদন্তে একটি তথ্য-অনুসন্ধান কমিটি গঠন এবং নতুন চিকিৎসক নিয়োগে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানানো হয়।
তবে এক বছর পর প্রশ্ন উঠছে—এসব উদ্যোগের কতটা বাস্তবে আবাসিক হলগুলোতে পৌঁছেছে?
কেন্দ্রীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিবর্তন
লিজার মৃত্যুর পর অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন এসেছে।
২০২৫ সালের ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তুর্কি কো-অপারেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন এজেন্সি (টিআইকেএ) একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। চুক্তির আওতায় মেডিক্যাল সেন্টার সংস্কার, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপন এবং একটি আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার কথা ছিল।
টিআইকেএর সহায়তায় সংস্কার করা মেডিক্যাল সেন্টারটি ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় এক্স-রে মেশিন, ইসিজি, অ্যানালাইজার, মাইক্রোস্কোপ, হাসপাতালের শয্যাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, মেডিক্যাল সেন্টারে সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। বিভিন্ন শিফটে দায়িত্ব পালন করছেন ৩০ জন চিকিৎসক। সেখানে ডেন্টাল, চক্ষু ও এক্স-রে ইউনিটের পাশাপাশি আইসোলেশন সুবিধা এবং ছোট একটি অপারেশন থিয়েটারও রয়েছে।
তবে কেন্দ্রীয় চিকিৎসা অবকাঠামোর উন্নয়ন আর আবাসিক হলগুলোর জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা এক বিষয় নয়।
কোনও ছাত্রী রাত ১টার দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথম কয়েক মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কে তাকে সহায়তা করবেন, কীভাবে তাকে হল থেকে বের করা হবে, স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার কোথায় পাওয়া যাবে এবং অ্যাম্বুলেন্স আসতে কত সময় লাগবে—এসব বিষয় তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
কোনো হলে সিক রুম আছে, কোথাও নেই
শামসুন নাহার হল সংসদের উদ্যোগে বর্তমানে হলে একটি সিক রুম, কিছু জরুরি ওষুধ ও একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হল সংসদ।
হল সংসদ আরও জানায়, রাতে কোনো শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে প্রভোস্ট ও ফ্লোর শিক্ষকদের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রোকেয়া হলের আবাসিক ছাত্রী নাজিফা তাসনিম বলেন, তাদের হলে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম রয়েছে, তবে কোনো সিক রুম নেই। তার ভাষ্য, হলে সিক রুম থাকার কথা তিনি কখনো শোনেননি। তার জানা মতে, কবি সুফিয়া কামাল হলে একটি সিক রুম রয়েছে। তবে সব হলের পরিস্থিতি এক নয়।
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক ছাত্রী আশুরা খাতুন বলেন, তাঁদের হলে কোনো সিক রুম বা ‘সিক গার্ল’ নেই। একজন চিকিৎসক থাকলেও তাঁর কাছে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই।
তিনি বলেন, রাতে কেউ অসুস্থ হলে প্রথমে ফ্লোর শিক্ষককে জানানো হয়। প্রয়োজন হলে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। তবে তার অভিযোগ, ফ্লোর শিক্ষকরা সব সময় ফোন ধরেন না।
মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী আব্রার হারুন বলেন, তাদের হলে ‘সিক বয়’ আছেন এবং প্রয়োজন হলে ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। তবে হলে কোনো সিক রুম নেই। জরুরি পরিস্থিতিতে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা মুর্তজা মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়।
সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী সাব্বিরুল ইসলামও বলেন, তাঁদের হলে কোনো সিক রুম নেই। কোনো শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হলে সাধারণত তাঁকে মুর্তজা মেডিকেল সেন্টার অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, হলে একজন ‘সিক বয়’ আছেন বলে তিনি জানেন। তবে ওই ব্যক্তির নাম, পরিচয় বা ফোন নম্বর তাঁর জানা নেই।
বিজয় একাত্তর হল, কবি জসীমউদ্দীন হল, সূর্য সেন হল, মুহসীন হল ও বঙ্গবন্ধু হলেও একই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব হলে ‘সিক বয়’রা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন। তবে আলাদা কোনো সিক রুম নেই।
‘সিক বয়’দের প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন
আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হলে সহায়তা করার জন্য স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন, যাঁরা সাধারণভাবে ‘সিক বয়’ নামে পরিচিত। হলভেদে একজন বা একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী এ দায়িত্ব পালন করেন।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেওয়া এবং তাঁদের কক্ষে প্রয়োজনীয় খাবার, পানীয় ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়া তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
তবে তাঁরা জরুরি চিকিৎসাসেবায় প্রশিক্ষিত কি না, কিংবা সিপিআর বা প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে তাঁদের জ্ঞান আছে কি না—তা স্পষ্ট নয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. মেহেরিন পারশ বলেন, ‘সিক বয়’ বা হলের কর্মীদের মূল দায়িত্ব চিকিৎসা দেওয়া নয়। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে একজন রোগীকে সরিয়ে নিতে হবে এবং কখন তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে—এ বিষয়ে তাঁদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
জরুরি পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা কতটা কার্যকর?
কোনো শিক্ষার্থী রাত ১টার দিকে গুরুতর অসুস্থ হলে তাঁর জন্য একটি নির্দিষ্ট জরুরি চিকিৎসা-ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
কক্ষে প্রাথমিক সহায়তা দেওয়া থেকে শুরু করে দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা, অ্যাম্বুলেন্স ডাকা, মেডিক্যাল সেন্টারে পৌঁছানো, প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া এবং প্রয়োজন হলে হাসপাতালে পাঠানো—প্রতিটি ধাপে কে দায়িত্ব পালন করবেন, তা স্পষ্ট থাকা দরকার।
কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থায় হলভেদে প্রক্রিয়াটি ভিন্ন।
কোনো হলে সিক রুম রয়েছে, আবার কোথাও নেই। কোথাও হুইলচেয়ার আছে, আবার অন্য হলের শিক্ষার্থীরা এমন সরঞ্জাম কোথায় পাওয়া যাবে, সেটিও জানেন না। কোনো হলে স্বাস্থ্যকর্মীদের ফোনে পাওয়া যায়, আবার কোনো হলে শিক্ষার্থীরা তাঁদের পরিচয় বা ফোন নম্বরই জানেন না।
অ্যাম্বুলেন্সের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাড়া দেওয়ার সময়
জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় অ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ হলেও কত দ্রুত সাড়া দেওয়া যায়, তা আরও গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান নির্দেশনায় জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা নেওয়ার জন্য ০১৭৯৮৭৬২৯২০ নম্বর দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কল স্লিপ নিয়ে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্স ও কল সেবা নিতে পারবেন।
তাহলে রাতে জরুরি পরিস্থিতিতে এই প্রক্রিয়ায় কতটা সময় লাগে—এটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
এ বিষয়ে ডা. মেহেরিন পারশ বলেন, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অনুরোধ করার ক্ষেত্রে জরুরি রোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ফোন পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জরুরি চিকিৎসাসেবা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকলেও মেডিক্যাল সেন্টারের ফার্মেসি খোলা থাকে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য কার্ড ও টোকেন বিভাগও সকাল ৮টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
এর অর্থ হলো, রাত ৮টার পর কোনো শিক্ষার্থী চিকিৎসকের পরামর্শ পেলেও নিয়মিত ডিসপেনসারি থেকে ওষুধ নেওয়ার সুযোগ থাকে না।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব চত্বরের ফার্মেসিটিও রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
ফলে ওষুধের প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের বাইরে থাকা ফার্মেসিতে যেতে হয়।
রাতে নারী শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার প্রশ্ন
লিজার মৃত্যুর পর রাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং নারী শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের হওয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।
বর্তমানে কবি সুফিয়া কামাল হলের নির্দেশনায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হলের মেডিকেল টিম, গেটে দায়িত্ব পালনকারী কর্মী অথবা সংশ্লিষ্ট ফ্লোর শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
কিন্তু কোনো গুরুতর অসুস্থ নারী শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে হাসপাতালে নিতে হলে ঠিক কে হলের গেট খুলবেন, কার অনুমতি প্রয়োজন হবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফোন না ধরলে বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে—এসব বিষয়ে হলভিত্তিক স্পষ্ট কোনো প্রোটোকল রয়েছে কি না, তা পরিষ্কার নয়।
কবি সুফিয়া কামাল হলের এক আবাসিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জরুরি পরিস্থিতিতে কোনো শিক্ষার্থীকে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করার প্রশ্নই আসে না। প্রয়োজন হলে দায়িত্বশীল শিক্ষক, হল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে সমন্বয় করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শারমিন কবির বলেন, স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। মেডিক্যাল সেন্টার আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং নতুন সরঞ্জাম ও অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত হয়েছে। হল পর্যায়ে জরুরি সেবার সমন্বয় আরও উন্নত করার বিষয়টিও প্রশাসন বিবেচনা করছে।
লিজার মৃত্যুর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত পরিবর্তন এসেছে। মেডিক্যাল সেন্টার সংস্কার করা হয়েছে, নতুন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, সেখানে ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তবে আবাসিক হলগুলোর জরুরি চিকিৎসাসেবার চিত্র একরকম নয়। কোনো হলে সিক রুম ও হুইলচেয়ার রয়েছে, আবার কোনো হলে আলাদা সিক রুম নেই। স্বাস্থ্যকর্মী, জরুরি সরঞ্জাম এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও হলভেদে পার্থক্য রয়েছে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জরুরি সেবা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকলেও মেডিক্যাল সেন্টারের ডিসপেনসারি রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় আরও জানিয়েছে, রাতে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য অন-কল নারী চিকিৎসকের ব্যবস্থাও রয়েছে।
লিজার মৃত্যুর এক বছর পর কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল সেন্টারের উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও আবাসিক হলগুলোর জরুরি চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা ও সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে।