বুধবার পুলিশ সদর দফতরে গুলশান ও শোলাকিয়ার জঙ্গি হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ১ জুলাই রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরায় জিম্মি উদ্ধার অভিযানের অংশ নেওয়ার সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রবিউল করিম ও ডিএমপি থানার অফিসার ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সালাউদ্দিন খান নিহত হন। গত ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন কিশোরগঞ্জ জেলার কনস্টেবল আনছারুল হক ও কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম।
শহিদুল হক বলেন নিহত পুলিশ সদস্যদের প্রোফাইল সংরক্ষণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে নিহতদের পরিবারের কেউ সহায়তা চাইলে, যেন তাদের সহায়তা দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, নিহত পুলিশ সদস্যরা জীবন দিয়ে আমাদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। যা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে আমাদের সহায়ক হবে।
পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনও মূল্যে এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা হবে। কারণ ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তরুণদের জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে তারা।
তিনি আরও বলেন, দেশের সব মানুষ জঙ্গিবাদকে ঘৃণা করে। এমনকি জঙ্গিদের পরিবার সদস্যরাও ঘৃণায় তাদের লাশ নিতে আসেনি। অনেকের স্বজনরা জাতির কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। তাদের মরদেহ আজ পর্যন্ত স্বজনরাও গ্রহণ করেননি।
শহিদুল হক বলেন, যত ষড়যন্ত্রই হোক দেশের জঙ্গিবাদ বিস্তার হবে না। যেসব অশুভ শক্তি এসব ষড়যন্ত্র করছে তাদের নির্মূল করা হবে। তাদের আশা কখনও পূরণ হবে না।
যারা বিভ্রান্ত হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়েছেন তাদের ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, প্রয়োজনে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন-
সন্দেহভাজন জঙ্গিরা কে কবে দেশ ছেড়েছে?
গুলশান-বনানী-বারিধারায় নতুন বাস ও রিকশা চলাচল শুরু
/জেইউ/এসএনএইচ/এফএস/