বিপদগামী শিশুদের রক্ষায় পরিবার-সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে (ভিডিও)

মেখলা সরকারএকটি শিশু যখন কিশোর হতে শুরু করে, তখন তার শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি দ্রুত মানসিক পরিবর্তনও হতে থাকে। নিজেকে সে প্রকাশ করতে চায়। এসব ক্ষেত্রে প্রপার ভেন্টিলেশনের জায়গা না পেলে, সুপারভিশন না থাকলে বাচ্চারা নানাভাবে বিপদগামী হতে পারে। এ বয়সে বাচ্চারা নিজেকে অন্যরকম কিছু একটা ভাবে। এক্ষেত্রে শিশুদের রক্ষায় পরিবার ও সমাজকে  এগিয়ে আসতে হবে বলে মত দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক মেখলা সরকার।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় হারুন উর রশীদের পরিকল্পনা ও উপস্থাপনা এবং চৌধুরী আকবর হোসেনের প্রযোজনায় উত্তরায় ‘গ্যাং ওয়ার’ বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউন ইনফো শো ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে এমন পরামর্শ দিয়েছেন মনোচিকিৎসক মেখলা সরকার। অনুষ্ঠানে আলোচনায় আরও অংশ নেন বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিক উদিসা ইসলাম। অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আলোচকরা।
দর্শকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনোচিকিৎসক মেখলা সরকার বলেন, ‘কিশোররা নিজেকে এক ধরনের রাজা মনে করে এবং তার মধ্যে প্রকাশ করার প্রবণতা থাকে। সমাজের পরিবর্তন হচ্ছে, নতুন নতুন টেকনোলজি আসছে। এসব ক্ষেত্রে বাচ্চাদের কতটুকু অ্যাকসেস দেবো সেটিও বিবেচনা করতে হবে। সঠিক যত্ন নিলে তারা দারুণ ক্রিয়েটিভ হয়ে ওঠবে।’
শিশু-কিশোরদের বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকা সবচেয়ে বড় বলে উল্লেখ করেন মেখলা সরকার। তিনি বলেন, ‘সরকারও  এ ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিতে পারে। বাবা-মাদের এ বিষয়ে কাউন্সিলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বাবা-মায়ের যত ব্যস্ততা থাকুক বাচ্চাদের সময় দিতে হবে।  বাচ্চাদের ইচ্ছারও মূল্য দিতে হবে, না হলে পরিবারের বাইরে কোথাও গুরুত্ব পেলে তারা ভিন্ন রকম হয়ে ওঠে।’

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক উদিসা ইসলাম বলেন, ‘শুধু উত্তরায় নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নানা রকম গ্রুপ আছে। উত্তরা এলাকার বাসিন্দারা বলেছেন, সেখানে কিশোরদের পাঁচটি গ্রুপ রয়েছে। রাজধানীতে বিভিন্ন নামের এসব গ্যাং- মারামারি, মাদক নেওয়া, শো-ডাউন নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করে থাকে।

অনুষ্ঠানটির পুরো ভিডিও দেখুন:

/সিএ/এপিএইচ/
আরও পড়ুন:  
উত্তরায় ‘গ্যাং-ওয়ার’: ‘লেটস ফান’ পাল্টে গেল সহিংসতায়!

উত্তরার কিশোররা মেতেছে ‘ভয়ঙ্কর খেলায়’