মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এবং কুমিল্লার কোটবাড়ীর গন্ধমতি এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকেই বড়হাট ও কোটবাড়ী এলাকায় জঙ্গি আস্তানা দুটি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সোয়াট টিমের সদস্যরা যে কোনও সময় অভিযান শুরু করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ওই দুই এলাকায়ই ১৪৪ ধারা জারি আছে।
উল্লেখ্য বড়হাটের বাড়িটি মঙ্গলবার রাত থেকে এবং কোটবাড়ীর নির্মাণাধীন ওই বাড়িটি বুধবার বিকাল থেকে ঘিরে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের ২৪ জনের একটি টিম সদস্য কুমিল্লায় পৌঁছান। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন। সেখানে যে কোনও সময় অভিযান শুরু হবে।
এর আগে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিএমপির সোয়াট ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট কুমিল্লা জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগ দেবে। সেখানে পৌঁছে সমন্বিতভাবে কাজ করবে তারা।’
এদিকে শুক্রবার (৩১ মার্চ) পৌনে ৮টার দিকে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সোয়াট টিমের সদস্যরা মৌলভীবাজারের বড়হাট এলাকায় অভিযানের উদ্দেশে অবস্থান নেন। অভিযানের সব ধরনের প্রস্তুতি তারা নিয়ে নিয়েছেন। যে কোনও সময় অভিযান শুরু হবে। ওই এলাকায়ও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকার নাসিরপুর গ্রামে একটি জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সোয়াট টিমের ‘অপারেশন হিট ব্যাক’ শেষ হয়। এই অভিযানে এক পুরুষ, দুই নারী ও চার শিশু মারা যায়।
/এনএল/ইএইএস/এসটি/এফএস/
আরও পড়ুন-
নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় ৪ শিশু, ২ নারী ও ১ পুরুষের লাশ
নাসিরপুরে নিহত পুরুষ জঙ্গি নাইক্ষ্যংছড়ির সোহেল!
সীতাকুণ্ড, ঢাকা বিমানবন্দর ও মৌলভীবাজারে একই বিস্ফোরক
নাসিরপুরে ‘হাইড আউট’ করেছিল জঙ্গিরা