রবিবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টায় টাস্কফোর্স দল চুড়িহাট্টা এলাকায় অভিযান করে। এ সময় কেমিক্যাল গুদামের সন্ধান পাওয়া আজগর লেন, নন্দ কুমার দত্ত লেন ও হায়দার বক্স লেনের ছয়টি ভবনের নিচে গুদামে তল্লাশি করা হয়। তিনটি গুদামে প্লাস্টিক দানা পাওয়া যায়। এরমধ্যে তিনটি গুদামের পরিবেশ ও ব্যবসার লাইসেন্স না থাকায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে টাস্কফোর্স। বাকি তিনটি গুদামে প্লাস্টিক দানা ও কেমিক্যাল না থাকায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
চুড়িহাট্টা এলাকায় অভিযান চলাকালে স্থানীয় ও ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়ে টাস্কফোর্সের এই টিমটি। স্থানীয়রা জানায়, প্লাস্টিকে আগুন ছড়ায় না, এটি ক্ষতিকর নয়। পুরান ঢাকার যেসব জায়গায় দাহ্য কেমিক্যাল গুদাম রয়েছে সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে প্লাস্টিকের গুদামে অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়াও মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে না।
টাস্কফোর্সের টিম-২ এর নেতৃত্বে থাকা ডিএসসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনালের শরীফ আহমেদ খান বলেন, ‘তৃতীয় দিনের মতো আমরা চকবাজারের ৬টি হোল্ডিংয়ে অভিযান পরিচালনা করেছি। এরমধ্যে দু’টি হোল্ডিংয়ের গুদামে কাঁচের চুড়ি এবং বাচ্চাদের খেলনা ছিল যা আমাদের অভিযানের মধ্যে পড়ে না। তাই এই দু’টি হোল্ডিংয়ের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আর একটি হোল্ডিংয়ের গোডাউনে থেকে মালিক মালামাল সরিয়ে ফেলায় আমরা কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।’
তিনি বলেন, ‘বাকি তিন হোল্ডিংয়ের ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এই তিনটি হোল্ডিংয়ে আমরা প্লাস্টিক গুদামের সন্ধান পেয়েছি। তাই এই তিনটি গুদামের ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। শুধু গুদামগুলোর ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, বাসাবাড়ির নয়।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিযান চলছে, আগামীতেও চলবে। আমাদের মেয়র সাহেব অভিযান সম্পর্কে শনিবার সবাইকে পরিষ্কারভাবে বলছেন। আমাদের অভিযান বাসাবাড়ির বিরুদ্ধে নয়। আমাদের অভিযান অবৈধ কেমিক্যাল এবং প্লাস্টিক গুদাম ও কারখানার বিরুদ্ধে।’