নিজের জন্য না ভেবে দেশের কল্যাণের দিকে লক্ষ্য রাখতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশের সামনে একটি অত্যন্ত সুন্দর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। তবে এখানে একটি বিরাট তবে আছে। তবে হচ্ছে যে, আমাদেরকে এর জন্য পরিশ্রম করতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে এর জন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে।’
রবিবার (২১ জুন) মালয়েশিয়ায় পৌঁছে রাত ৯টায় হোটেল ‘শাংগ্রি লাতে’ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে গত দেড় দশকে দেশের অবস্থা তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি গোষ্ঠী দেশ থেকে নিতে নিতে একদম শেষ করে দিয়েছে। একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। তখন আমাদের কিছু করার ছিল না। দেশের মানুষ বুকের রক্ত দিয়ে স্বৈরাচারকে হটিয়েছে।’
দেশ গঠনে বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকারগুলো বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল পুনঃখননসহ বিভিন্ন কর্মসূচিগুলো নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এগুলো বাস্তবায়নের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কুয়ালালামপুর থেকে রাস্তাগুলো অনেক পরিষ্কার লেগেছে। এ কাজটি কিন্তু আমার দেশের ভাইরাই করছেন। তাই দেশের ব্যাপারেও নিজেদের আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে হবে।’
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আপনারা যদি বিদেশে এতো কষ্ট করতে পারেন, তাহলে দেশে করতে অসুবিধা কোথায়?’
সভা শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিএনপি মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান।
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। পরে নিজ নিজ দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন দুই নেতা।