জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে থেকে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তহবিল আনা বা কেবল দেশের স্বার্থে কাজ করার সুযোগ কম বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান । তিনি বলেন, ‘১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী এই পদে থেকে সবার জন্য কাজ করাই বাংলাদেশের দায়িত্ব।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংসদ অধিবেশনে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আরমার বীন কাশেমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মীর আরমার বীন কাশেম জানতে চান, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ অর্জনের ফলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে এবং বিশেষ তহবিল আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কি না।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র আছে। মাননীয় স্পিকার যেমন সংসদের সব সদস্যের স্পিকার, তেমনি আমিও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করবো। এখানে কোনও বিশেষ দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ কম।’
তিনি সংসদ সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ তখনই গর্বের ও যোগ্যতার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করতে পারবে, যখন আমরা সবার জন্য কাজ করবো।’
‘ইম্পসিবল মিশন’ ছিল
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ অর্জনের পেছনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে এই পদের জন্য মনোনয়ন দিলেন, তখন এশিয়া থেকে এটিই ছিল প্রথমবার। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রচারণার জন্য ১০ বছর সময় পেয়েছিলেন, আর আমরা পেয়েছিলাম মাত্র ১০ সপ্তাহ।’
তিনি বলেন, ‘আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম, আপনি আমাকে একটি ইম্পসিবল মিশনে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেছিলেন আমরা পারবো। তার যোগ্য নেতৃত্বেই আমরা এই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছি।’