জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় জলবায়ু ন্যায়বিচার, অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে কপ-৩১ এ আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণে তিনি বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের তেমন ভূমিকা না থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বহন করতে হচ্ছে দেশটিকে। এ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি মোকাবিলা করে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনের পথ বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ।

পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। ক্লিন এনার্জি ও সৌরশক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বন্যা ও খরার প্রভাব মোকাবিলায় সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচিও শুরু হয়েছে।

সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বাড়ানো ও বৃহৎ জলাধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরুর কথাও জানান তিনি।

আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে পানি সংরক্ষণ ও দূষণ রোধে দেশের অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ জোরদারের কথা বলেন তিনি।

এর আগে জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও তারেক রহমান জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন সহায়তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন।