রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে নিরাপদে ফিরিয়ে নেওয়াই এ সমস্যার একমাত্র সমাধান। এ সংকটের চূড়ান্ত সমাধানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় ও কার্যকর সমর্থন চেয়েছেন তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এর ফলে দেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস মিয়ানমারে, তাই এর সমাধানও সেখানেই নিহিত। তাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ পর্যন্ত জীবন রক্ষাকারী সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
রোহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হলে অদূর ভবিষ্যতে এটি একটি মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব বৈঠকেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তারেক রহমান। এর মধ্যে ছিল দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের রূপরেখা তৈরি, সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, বিচার ও জবাবদিহি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার।
জাতিসংঘে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে ভাষণ দিলেন তারেক রহমান