দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের শাসন-শোষণের অবসানের পর বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে সরকারের ‘থ্রি-আর’ কৌশলের কথা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার ভাষায়, এই কৌশলের তিনটি ধাপ হলো—রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ওই সময়ের শাসনামলে গুম, খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট ও টাকা পাচারের মতো বিষয় স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছিল। এসব থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের জন্য সরকার রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—এই তিনটি কৌশল অনুসরণ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সামনে এখন সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথাও ভাষণে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
উন্নয়ন সহযোগীদের বাংলাদেশের এই কর্মযজ্ঞে পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জাতিসংঘে ভাষণে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী