বিজ্ঞানীরাও কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে না পেয়ে হাঙরের ছানাটাকে বলছেন ‘মিরাকল বেবি শার্ক’। সম্প্রতি যার জন্ম হলো একটি বড় ট্যাংকে। যে ট্যাংকে গত দশ বছরে ছিল না কোনও পুরুষ হাঙর!
সদ্য জন্ম নেওয়া স্মুথ হাউন্ড শার্কটি নিজেও স্ত্রী হাঙর। ঘটনা ঘটেছে ইতালির সারদিনিয়ার আকুয়ারিও কালা গোনোন নামের একটি ট্যাংকে। ওই ট্যাংকে গত দশ বছর ধরে রাখা হয়েছিল দুটো স্ত্রী হাঙর।
বিজ্ঞানের ভাষায় এমন ঘটনাকে বলে এসেক্সুয়াল বার্থ। যা কিছু গাছপালা, কীটপতঙ্গের ক্ষেত্রে দেখা গেছে। তবে হাঙরের মতো বড়সড় প্রাণীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটাই প্রথম।
সেখানকার প্রাণীবিজ্ঞানীরা জানালেন, ইসপেরা (যার অর্থ আশা) নামের হাঙর ছানাটি এক্ষেত্রে যদি শুধু তার মায়ের জিনগত উপাদানই পায় তবে সে হবে তার মায়ের ক্লোন। যা এখন পরীক্ষা করে দেখছেন তারা।
আবার আরেকটি ব্যাখ্যাও দাঁড় করিয়েছেন আকুয়ারিওর বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, ট্যাংকে ছিল দুটো স্ত্রী হাঙর। এর মধ্যে একটি হাঙরের অপরিপক্ক ডিম্বাণুও নিষিক্ত করতে পারে আরেক হাঙরের ডিম্বাণুকে। কারণ অপরিপক্ক অবস্থায় স্ত্রী হাঙরের ডিম্বাণুটা নাকি অনেকটা শুক্রাণুর মতোই কাজ করে। তাদের মতে, এটাও প্রকৃতির এক ধরনের খেয়াল হতে পারে। দীর্ঘসময় পুরুষসঙ্গী না থাকাতেই হয়তো হাঙরের মাঝে এমন পরিবর্তন এসেছে।
এখন বিজ্ঞানীরা অপেক্ষায় আছেন ডিএনএ পরীক্ষার ফল আসার জন্য। ঘটনা যদি সত্যিই মিরাকল হয়, তবে এ নিয়ে আরও নতুন গবেষণার দ্বার খুলে যাবে নিশ্চিত।
সূত্র: আকুয়ারিও