বিপ্লব কুমার সরকার জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা জনসাধারণের কাছে ভুয়া সিম বিক্রি ও বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করে আসছিল। এ ব্যাপারে ডিএমপির মিডিয়া সেল থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
গত মে মাসে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতিতে মোবাইলের সিম পুনর্নিবন্ধন শেষ হয়। বিভিন্ন মুঠোফোন অপারেটরের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনর্নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ১১ কোটি ছাড়ায়। এরপর পুনর্নিবন্ধিত না হওয়া সিম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
‘অনিবন্ধিত সিম চিরতরে বন্ধ করা হবে’