মেইল বার্তায় র্যাব কর্মকর্তা শাহাব উদ্দীন বলেন, ‘সম্প্রতি র্যাবের নাম, পদবী ও পোশাক ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে আসছে। এই চক্র জমিসংক্রান্ত বিরোধসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন বেশ কয়েকটি প্রতারণার তথ্য পাওয়ার পর র্যাব-২ ওই প্রতারক চক্রকে ধরার জন্য কাজ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সুলতানগঞ্জ এলাকা থেকে র্যাব অফিসার পরিচয় দেওয়া আরশাদ উজ জামান (৩৭) ও রোজী আক্তার (২০) নামে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয় শনিবার।’ তাদের কাছ থেকে একটি জ্যাকেট, একটি হ্যান্ডকাফ ও মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাব উদ্দীন জানান, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত আরশাদ উজ জামান নিজেকে র্যাব-২-এর অফিসার কর্নেল জামান পরিচয় দিয়ে বেড়াত। এছাড়া, উচ্চপদস্থ সেনাকর্মকর্তা ও শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের স্বজন বলেও পরিচয় দিতো।
অন্যদিকে, রোজী আক্তার বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে র্যাব ও পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি তৈরি করে বলে জানান শাহাব উদ্দীন। তিনি জানান, রোজীও নিজেকে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে আসছিল। চলাফেরার সময় তাদের গায়ে থাকত র্যাবের জ্যাকেট, সঙ্গে থাকত হ্যান্ডকাফ। এছাড়া, ওয়াকিটকির আকৃতির একটি মোবাইল ফোনের লাউড স্পিকার ব্যবহার করে সবাইকে ধোঁকা দিয়ে আসছিল আশরাদ ও রোজী। রোজী ও আরশাদ এক এলাকায় তিন-চার মাসের বেশি অবস্থান করত না বলেও জানান র্যাব কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন-
পুলিশ ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে চারজন