বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ ৮০০ উড়োজাহাজে ১৩৪ জন যাত্রী ছিল। ‘বিমান ছিনতাই চেষ্টাকারী’ হাইজ্যাকারের কাছে একটি পিস্তল ছিল এবং শরীরে বোমাসদৃশ তার জড়ানো ছিল। বিমানটি বিকেল ৫টা ৪১ মিনিটি চট্টগ্রামে অবতরণ করে। হাইজ্যাকার মাহাদী তার স্ত্রী সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য দাবি জানায়। তবে সেই হাইজ্যাকার কোনও যাত্রী বা ক্রুকে জিম্মি করেনি। শেষ মুহূর্তে বিমানের কেবিন ক্রু সাগর ভেতরে ছিলেন, পরে তিনিও বের হয়ে আসেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়, তিনি দিকনির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিমানবাহিনী, সেনা বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী পদক্ষেপ নেয়। সন্ধ্যা ৭টা ১৭ মিনিটে অপারেশন শুরু হয়ে ৭ টা ২৫ মিনিটে শেষ হয়। পরবর্তীতে বিমান থেকে আহত অবস্থায় হাইজ্যাকারকে সরিয়ে আনা হয়। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ঘটনা প্রসঙ্গে নাঈম হাসান বলেন, সাধারণত ছিনতাইকারীরা যাত্রী বা কেবিন ক্রদের জিম্মি করে। এ ঘটনায় কাউকে জিম্মি করা হয়নি।