মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের প্রতিটি সড়কে ডিভাইডার দিলে দুর্ঘটনা অর্ধেক কমে যায়, অথচ তা নেই। আমরা এত কর দিই, এত বিশাল বাজেট হয়, কিন্তু তারপরও জনগণের জানমালের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় না। জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার ব্যতি রেখে দুই-একটা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করে কি উন্নয়ন হয়? সরকারের অযোগ্যতা ও দায়িত্বহীনতায় জনগণের জানমাল ও পরিবার বিপন্ন, মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে দেশ। সড়ক ও অগ্নিকাণ্ডে এত অকাল মৃত্যু ও পরিবার ধ্বংসের দায়-দায়িত্ব অবশ্যই রাষ্ট্র ও ক্ষমতাসীনদের ওপর বর্তায়।
তারা বলেন, রাষ্ট্র ব্যবস্থার সবদিকে আজ চরম অব্যবস্থাপনা ও বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন প্রকার অপরাজনীতির কুপ্রভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রে উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক ও দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ছে। অবিচার, ভেজাল, হিংস্রতা, বর্বরতা , মিথ্যাচার, ধোকাবাজি, দারিদ্র্য, ও বৈষম্য আজ জীবন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকে বিপন্ন করে তুলছে।
বক্তারা আরও বলেন, জীবনের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাচলের জন্য যেমন নিরাপদ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন, তেমনি জীবনের স্বাভাবিক গতি প্রবাহের জন্য রাষ্ট্রে নিরাপদ ও মানবিক সুব্যবস্থাপনা দরকার। সরকারের উচিত জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থার জন্য আরও সজাগ হওয়া, সতর্ক থাকা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন— আল্লামা শেখ রায়হান রাহবার, আল্লামা আরেফ সারতাজ, আল্লামা আবু আবরার বিস্তি, অ্যাডভোকেট মাঈনুদ্দিন, মাহমুদ হাসান সানি, অ্যাডভোকেট শারমিন সুলতানা, অ্যাডভোকেট তানিয়া তানজিম, অধ্যাপিকা এমি নিশান প্রমুখ।