বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকায় সফররত আইইটিও এর প্রেসিডেন্ট ড. আসিফ ইকবালের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি দলের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময়কালে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
রাজধানীর বারিধারার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় জানানো হয়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২০২০ সালে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্তত ১০টি দেশে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। এ বিষয়ে সিডব্লিউসিসিআই সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী জানান, ভারতের দিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, চেন্নাই ও হায়দারাবাদে একযোগে মুজিববর্ষ পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি থাকবে। পাকিস্তানি গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের তথ্যবহুল জীবনী গ্রন্থ প্রকাশ, আগরতলা ষড়যন্ত্রের ওপর ও ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধুর চীন সফরের ওপর দুটো দালিলিক গ্রন্থ প্রকাশ, দুর্লভ ছবি প্রদর্শন, প্রবন্ধ রচনা, চিত্রকলা প্রদর্শনী, সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাসহ স্মৃতিকথার মতো কর্মসূচি দিয়ে বর্ণাঢ্য করে তোলা হবে মুজিব বর্ষকে। এ সব রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও সংগঠন মুজিববর্ষে অংশগ্রহণ করবে।
হাকিম আলী বলেন, আইইটিও এর প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম ও ঢাকা সফরের সময় এদেশে তাদের বিনিয়োগের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এখন আমরা কীভাবে তাদের সেই আগ্রহকে বাস্তবে রূপ দেবো এটাই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
আইইটিও সভাপতি ড.আসিফ ইকবাল বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত দ্বিপাক্ষীয় সুসম্পর্ক অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে সুদৃঢ় ও সুসংহত। ভ্রাতৃত্বের এ বন্ধনকে আরও মজবুত করবে বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ। বাংলাদেশের কৃষি, ফার্মাসিউটিক্যাল, ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার, শিক্ষা সংস্কৃতি ও পর্যটনখাতে ভারত বড় ধরনের বিনিয়োগে আগ্রহী। এসব ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যিক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে সফররত আইইটিও প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এদেশের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে পূর্ণ হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের পক্ষে ‘মুজিব বর্ষ’ পালনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী।