পুলিশ জানায়, হেলাল উদ্দিন বিকাশ, নগদে টাকা লেনদেন এবং মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা করতেন। তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই প্রতিবেশী চার্লস রুপম ও তার স্ত্রী শাহিনা বেগম মিলে খুন করেছে। ঘটনার দিন রুপম একটি ফটোকপি মেশিন বিক্রির কথা বলে হেলাল উদ্দিনকে বাসায় ডেকে নেয়। এরপর চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। রাতে লাশ তিন টুকরো করে স্বামী-স্ত্রী। পরে লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে তিন টুকরো তিন জায়গায় ফেলে তারা।
মশিউর রহমান জানান, আসামিদের গ্রেফতার করতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এছাড়াও হেলালের মুঠোফোনের কল তালিকার সূত্র ধরে চার্লসের স্ত্রী শাহিনা ও তার মাকে গ্রেফতার করে ডিবি। গ্রেফতারের পর তারা হেলালকে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে শাহিনা ও তার মা রাশিদা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে হেলালকে হত্যা করে ৩৩ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছে তারা। ডিবি টাকা উদ্ধার করেছে। তবে মূল পরিকল্পনাকারী রুপমকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।