বরিশালের ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের (ইউজিভি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষা উদ্যোক্তা ড. মো. ইমরান চৌধুরী বলেছেন, নতুন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দরকার, শিক্ষার সাথে সাথে দক্ষতার দরকার, সেটি যুগোপযোগী না হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এর একটি প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার (১৭ অক্টোবর) বিকালে এটিএন নিউজে সম্প্রচারিত এক বৈঠকিতে এসব কথা বলেন তিনি। ‘শিক্ষক: একাল-সেকাল’ শীর্ষক এই বৈঠকির আয়োজন করে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউন ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ-ইউল্যাব।
এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী সম্পাদক মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে আরও অংশ নেন— ইউল্যাবের অধ্যাপক, কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ, ইউল্যাবের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক আরজু ইসমাঈল।
ড. মো. ইমরান চৌধুরী বলেন, শিক্ষক মানুষের বাহ্যিক পরিবর্তনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন করে দেয়। কোনও না কোনও শিক্ষক জীবনের আদর্শ হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশের শিক্ষার যে কাঠামো, তাতে বেসরকারি খাতটা অনেক বড়। শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে তেমন কোনও পরিবর্তন আসেনি। আমরা যে অবস্থার মধ্যে আছি তা যে খুব সুখকর—তা কিন্তু নয়।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যখন শিক্ষক নিয়োগ করি, তখন ফ্রেশার থেকেই নেই। তাদের যে প্রশিক্ষণ দরকার, শিক্ষার সাথে সাথে দক্ষতার দরকার, সেটি যুগোপযোগী না হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এর একটি প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। গত তিন থেকে পাঁচ দশকে শিক্ষকদের মধ্যে যে নীতি-নৈতিকতা ছিল, সেখান থেকে আমরা অনেক দূর সরে গেছি।
শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের যে অভিযোগ উঠছে, সে বিষয়ে ড. মো. ইমরান চৌধুরী বলেন, এক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক অনেক কিছু জড়িত। শিক্ষককে যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে মুক্তচিন্তার একটা পরিবেশ করে না দেওয়া যায়, যেমন তার স্বাস্থ্য, খাদ্য, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে একজন শিক্ষকের কাছ থেকে ভালো শিক্ষার্থী প্রডাকশন পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।