বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পদ্মাসেতু হওয়ার কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন প্রায় এক হাজার বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন আট থেকে ৯ হাজার রোগী সেবা নিচ্ছেন এই হাসপাতালে। সোমবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তিনি একথা বলেন।
অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এমনভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে সব জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসাসেবা রোগীরা এখানে যাতে পায় এবং রোগীদের বিদেশে যেতে না হয়।
তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার স্মার্ট বাংলাদেশ এর স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে বিএসএমএমইউকে উত্তরোত্তর উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, বিশ্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল অবস্থান আছে এবং তারা এটা অকপটে স্বীকার করেন।
সংসদ সদস্য বেগম ফরিদা খানম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা সেবায় সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। এখানে রোগীরা চিকিৎসাসেবা নিয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বর্তমানে দেশের বিশিষ্ট জনেরা, ভিআইপি ব্যক্তিবর্গ এখানে চিকিসাসেবা নিচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে সন্তুষ্টি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমিরেটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ তার বক্তব্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম পদক প্রাপ্তি এবং নন রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের বকেয়া ভাতা সম্পূর্ণ দিয়ে দেওয়ায় উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানান।
বিএমডিসির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান বলেন, গরীব রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং জটিল জটিল রোগ সমূহের চিকিৎসাসেবা দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি আরও বলেন, রেসিডেন্ট ও নন রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাদের ভাতা বা শিক্ষা বৃত্তি বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত যৌক্তিক ও জরুরি।