সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের পরিমিত ও টেকসই আহরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘ফিশারিজ সাবসিডিজ ইন দ্য কনটেক্সট অব এলডিসি গ্র্যাজুযয়েশন অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক কর্মশালায় মন্ত্রী এ কথা জানান। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ‘সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রকল্প’ এ কর্মশালা আয়োজন করে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরীফা খানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন— মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সমির সাত্তার এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রকল্পের পরিচালক ফরিদ আজিজ।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য হাফিজুর রহমান। প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. জুলফিকার আলী।
মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনা বিপুল। এ খাতে নানাভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সহায়তা করছে। মৎস্য খাত যাতে টেকসই হয়, সে জন্য সরকার কাজ করছে। মৎস্য মান নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। রফতানি বাজার সম্প্রসারণের জন্য সরকার ভেনামি চিংড়ি চাষের অনুমোদন দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে লাইসেন্স দেওয়া হলেও বেসরকারি খাত এগিয়ে আসেনি। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় পাইলট প্রকল্প নিয়েছে।’