সাঈদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সমর্থকরা: বিএসএমএমইউ

মানবতাবিরোধী অপরাধে আজীবন কারাদণ্ড পাওয়া জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুর সংবাদ প্রচারের সময় পরিস্থিতি শান্ত-স্বাভাবিক ছিল। পরে ধীরে ধীরে লোকজন জড়ো হওয়া শুরু করে এবং আনুমানিক ভোর ৪টা থেকে ভীতিকর ও উশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ। সেদিন অ্যাম্বুলেন্সসহ সরকারি-বেসরকারি সাতটি গাড়ি ও হাসপাতালের অবকাঠামোগত ক্ষতি করা হয় বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানান হয়।

এতে বলা হয়,  তাদের জমায়েত, মিছিল-চিৎকার রোগী ও সেবা প্রদানকারীদের সেবা প্রদানে বাধা ও বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক্রমান্বয়ে তারা আরও উশৃঙ্খল হতে থাকে এবং হাসপাতালের অবকাঠামোগত ক্ষতি করতে থাকে। হাসপাতালের দুই নম্বর গেটের  দেওয়াল ভাঙ্গা, লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংকের সীমানা প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করা, ব্রাকি থেরাপি ও ই-ব্লকের পাইপলাইন ভেঙে ফেলা, বাগানের গ্রিল উপড়ে ফেলাসহ জেনারেটর ভবনের সামনের ইট ভেঙে টুকরো টুকরো করে সেগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপর ছুড়ে মারে।

এতে আরও বলা হয়,  অ্যাম্বুলেন্সসহ সরকারি ও বেসরকারি ৭টি গাড়ির ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ফলে আরও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায় রোগী এবং সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আতঙ্কে চিৎকার করতে থাকে। ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতালের রোগীদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি সম্পত্তি ও জান-মালের নিরাপত্তার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে হাসপাতালের পরিবেশ স্বাভাবিক করেন।