বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি (বিএমএস) জানিয়েছে, দেশে প্রায় ৯ হাজার মিডওয়াইফ বিশেষায়িত শিক্ষা নেওয়ার পরও বেকার। বেসরকারি পর্যায়ে তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিএমএস আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়।
গোলটেবিল বৈঠকে সংগঠনের সভাপতি আসমা খাতুন মিডওয়াইফদের তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘মিডওয়াইফ হলো দক্ষ, প্রশিক্ষিত, বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত মা ও নবজাতক শিশু স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী। একজন মা গর্ভধারণ পূর্ববর্তী পরিকল্পনা থেকে শুরু করে গর্ভকালীন, প্রসবকালীন এবং প্রসবপরবর্তী সময়ে মিডওয়াইফের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্য সেবাগ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৭ হাজার ২৩০ জন লাইসেন্সপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৫৫৭ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন সাব সেন্টারে কর্মরত।’
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সংগীতা সাহা প্রেমা বলেন, ‘মা ও নবজাতক শিশুর মৃত্যুহার কমাতেই চিকিৎসা খাতে মিডওয়াইফদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।’
বিএমএস’র সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দা মাহফুজা ঝুমু বলেন, ‘মিডওয়াইফদের উন্নয়নে তাদের শিক্ষার সুযোগ এবং কর্মপরিধি আরও প্রসারিত করার জন্য নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে মিডওয়াইফদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি যুক্তিসংগত। প্রায় ৯ হাজার মিডওয়াইফ বিশেষায়িত শিক্ষা গ্রহণ করার পরও বেকার হয়ে বসে আছেন। বেসরকারি পর্যায়ে মিডওয়াইফদের আরও বেশি করে কাজের সুযোগ করে দেওয়া উচিত।’
বিএমএস’র পক্ষ থেকে এরই মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে লিখিত আকারে দাবি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান বক্তারা।
গোলটেবিল বৈঠকে আরও ছিলেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এহতেশাম, বিএমএস’র প্রজেক্ট ম্যানেজার শারমিন শবনমজয়া প্রমুখ।