মাকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ছেলের জবানবন্দি

বাসার সিলিং ফ্যান পরিষ্কার করা নিয়ে বাগবিতণ্ডার মা রাশিদা খাতুনকে (৪৯) কুপিয়ে হত্যার পর তার একমাত্র ছেলে রেজোয়ান আহম্মেদ (২৫) দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট পার্থ ভদ্রের আদালত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এদিন আসামি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপনগর থানার উপ-পরিদর্শক মো. শাহেদ হোসেন জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। পরে আদালত জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শুক্রবার আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মামলার এজাহারে বাদী মনিরুজ্জামান উল্লেখ করেন, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। গ্রেফতার ব্যক্তি রাশিদা খাতুনের একমাত্র ছেলে। সে বর্তমানে বিইউবিটিতে সিএসইতে অধ্যায়ন শেষে শিক্ষানবিশ হিসেবে আছে। রাশিদা খাতুন মিল্ক ভিটা সমবায় সমিতির রূপনগর শাখার সুপার ভাইজার পদে চাকরি করতেন। প্রতিদিনের মতো তিনি বুধবার (২৮ মে) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের কর্মস্থলে চলে যায়। দুপুর ২টায় ছেলেকে বাসায় রেখে ব্যবসার কাজে বাইরে যান। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টায় বাসার ড্রয়িং রুম এবং বাথরুমের দরজায় জমাট রক্ত দেখেন। রাশিদাকে মেঝেতে মৃত অবস্থায় পান। পাশের রুমে থাকা ছেলের দুই হাতে আচড়ের কাটা দাগ দেখতে পান। রাশিদাকে হত্যা কথা এক পর্যায়ে স্বীকার করে রেজোয়ান। বলে, রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঘরের সিলিং ফ্যান পরিষ্কার করাকে কেন্দ্র করে রাশিদার সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে রেজোয়ান উত্তেজিত হয়ে রান্না ঘরের ধারালো বটি দিয়ে মাকে হত্যা করে।