লাইটার জাহাজকে ‘ভাসমান গুদাম’ বানালেই ব্যবস্থা, দ্রুত পণ্য খালাসে নির্দেশনা 

নদীর নাব্যতা রক্ষা ও নৌ-চলাচল সচল রাখতে শীতলক্ষ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌপরিবহন অধিদফতর। লাইটার জাহাজগুলোকে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা বন্ধে বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, সারুলিয়া ও রূপসী এলাকায় এই যৌথ অভিযান চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

নৌপরিবহন অধিদফতর গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্সের এই অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আসা গম, ছোলা, ডাবরি ও সয়াবিনবাহী মোট ২৫টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, পরিদর্শিত জাহাজগুলোর মধ্যে ৫টি জাহাজ ১০ দিনের বেশি এবং ৭টি জাহাজ ২০ দিনের বেশি সময় ধরে নদীতে অবস্থান করছে। পণ্য খালাস না করে দীর্ঘ সময় জাহাজ আটকে রাখায় নদীর স্বাভাবিক নৌ-চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। 

জাহাজে দীর্ঘদিন ধরে পণ্য আটকে রাখায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও প্রতিনিধিদের তলব করা হয়। এর মধ্যে নাবিল গ্রুপ, মদীনা গ্রুপ, এস এস ট্রেডিং, আকিজ গ্রুপ, আলাল গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, আরমান ফিড, বিশ্বাস গ্রুপ এবং আর বি এগ্রো-এর প্রতিনিধিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে পণ্য খালাসের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। 

নৌপরিবহন অধিদফতর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে লাইটার জাহাজকে কোনোভাবেই ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ম অমান্য করলে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনার মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা হবে।