গুজব প্রতিরোধে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের ভূমিকা পালনের পরামর্শ তথ্য সচিবের

গণভোট সম্পর্কিত জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়, দায়িত্বশীল এবং অগ্রণী ভূমিকা পালনের পরামর্শ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা। তিনি বলেন, “আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও গণভোট সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়াতে জেলা তথ্য অফিসগুলো ক্লান্তিহীন প্রচার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। নির্বাচন পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে এ প্রচার কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে। মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের  স্বীকৃতি হিসেবে ১০ জন কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হবে।”

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গণযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশের ৬৪টি জেলা তথ্য অফিস ও চারটি উপজেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। 

ভার্চুয়াল এই সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসিন, যুগ্ম সচিব মাহফুজা আখতার ও রিয়াসাত আল ওয়াসিফ, গণযোগাযোগ অধিদফতরের পরিচালক মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, সৈয়দ এ মুমেন ও ডালিয়া ইয়াসমিন এবং উপপরিচালক কাজী শাম্মীনাজ আলম ও গাজী শরিফা ইয়াছমিন উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুবা ফারজানা বলেন, “বর্তমান সময়ে অপতথ্য ও গুজব একটি বড় চ্যালেঞ্জ। গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, গুজব ও অপতথ্যের ছড়াছড়ি ততই বাড়ছে। ভবিষ্যতে আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে জেলা তথ্য অফিসগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে। যে কোনও গুজব বা অপতথ্য দৃষ্টিগোচর হলেই উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে এর প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় পরিচালিত নির্বাচন সেলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “শহরাঞ্চলের ভোটাররা তুলনামূলকভাবে গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সচেতন হলেও তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও জোরদার করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে উঠান বৈঠক, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটালাপ এবং ‘টেন মিনিটস ব্রিফ’—এই তিনটি কার্যক্রম চালাতে হবে।”