ব্যবসায়ীকে ৫ টুকরো করে হত্যা: ফের পেছালো রায় ঘোষণার তারিখ 

ঢাকার নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে পাঁচ টুকরো করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ২২ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ আবারও পিছিয়েছে। নতুন করে আগামী ১৩ মে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে বিচারক অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটিতে থাকায় রায় ঘোষণা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন—অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, মরিয়মের স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাস্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন ও শিবলু। এদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ পলাতক।

এর আগে ৪ মার্চ মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। সেদিনও রায় ঘোষণা না হয়ে ৩১ মার্চ নতুন তারিখ দেওয়া হয়েছিল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী পিংকুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ বাকি আসামিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব শত্রুতা ছিল। ওই শত্রুতার জেরে ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পিংকু মালিকান্দার চকে যাওয়ার পথে ধানক্ষেতে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পাঁচ টুকরো করে হত্যা করা হয়।

পরদিন পিংকুর ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে ২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত শেষে ২২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন উপপরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।

২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচারকালে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।