গুলশানে চায়ের দোকানে ২ মরদেহ: নেপথ্যে কর্মক্ষেত্রে মনোমালিন্য

রাজধানীর গুলশান-২ এ একটি চায়ের দোকানে কাজ করতে গিয়ে অল্প বেতন এবং কাজ নিয়ে মালিক মো. রফিকের (৬২) সঙ্গে মনোমালিন্য হয় দোকানের কর্মচারী মো. রুমনের (২৭)। পর পর কয়েক দফা বাকবিতণ্ডাও হয় তাদের। এরই জেরে রফিককে হত্যা করে রুমন। এই ঘটনা দেখে ফেললে হত্যা করা ওই চায়ের দোকানের আরেক কর্মচারী সাব্বিরকেও (১৬)।

বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এসব কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর এলাকায় থেকে রুমনকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব সদর দফতর গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-৭ এর যৌথ আভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করে। রুমনের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি।

মুনীম ফেরদৌস বলেন, গুলশান-২ এর একটি বাড়ির কেয়ারটেকার ছিলেন রফিক। পাশেই তার চায়ের দোকান। সাব্বির ছিল ওই দোকানের কর্মচারী। সে কাজ ছাড়ার কথা জানালে রুমনকে কাজে রাখেন রফিক।’

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘রফিকের সঙ্গে একটি পক্ষের লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। ওই পক্ষটি রুমনকে টাকার লোভ দেখিয়ে হত্যায় জড়িত করে। রুমনসহ এই হত্যায় আরও দুজন জড়িত। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আরেকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

গত ২৮ সেপ্টেম্বর গুলশান-২ এর ওই চায়ের দোকানের ভেতর থেকে গলা কাটা অবস্থায় রফিক ও সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরও পড়ুন...

চায়ের দোকান থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার: সন্দেহের তীর কর্মচারীর দিকে

গুলশানে চায়ের দোকান থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার