এদিকে ওমরাহ হজে যাওয়ার আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, স্থায়ী কমিটি ও ভাইস-চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা কাউন্সিলের নাম ঘোষণা করতে পারেন খালেদা জিয়া। সূত্রের দাবি, সৌদিযাত্রা নিশ্চিত হলেই কমিটিগুলো ঘোষণা দিবেন বিএনপির এই শীর্ষনেতা।
জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঠিক নাই এখনও, যাবেন কিনা। আর এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
কমিটি ঘোষণার বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আশা করা যায় রমজানেই ঘোষণা হবে।
জানা গেছে, গত বছর রোজায় খালেদা জিয়ার ওমরাহ হজ বাতিল হয়েছিল শেষ মুহূর্তে। তবে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের সৌদি আরবে আসার কথা থাকলেও ভিসা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত তিনিও সেখানে যেতে পারেননি।
সৌদি সফর সম্পর্কে বিএনপির একাধিক নেতা জানান, তারেক রহমান এবার আসতে পারেন। তার আসার সম্ভাবনা না থাকলেও ওমরা হজ করবেন খালেদা জিয়া। প্রতি বছরই ওমরাহ আদায় করা খালেদা জিয়ার নিয়মিত ধর্মপালনের অংশ।
তবে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এবারও সম্ভাবনা কম। এবিষয়ে খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ৩০ জুন পর্যন্ত ম্যাডামের ইফতার মাহফিলের শিডিউল আছে।
তবে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সূত্র জানায়, এবার যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা আছে। এ নিয়ে খালেদা জিয়ারও আগ্রহ রয়েছে। সেক্ষেত্রে একটু দেরিতে হলেও তিনি রমজানের শেষ সপ্তাহে যেতে পারেন। আর আটকে থাকা কমিটির বাকি পদগুলোয় নতুন মনোনয়নের বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে সফরের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর। এক্ষেত্রে সৌদি যাত্রা নিশ্চিত হলে ঘোষণা আগে হবে। না হলে কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করার ঘোষণা আসবে ঈদের পর।
কার্যালয় সূত্রের দাবি, চেয়ারপার্সনের সৌদি যাত্রার বিষয় থাকলে এর প্রস্তুতি নেওয়া হয় রমজানের শুরু থেকেই।কিন্তু, এবার এখনও সেধরনের লক্ষণ দেখা যায়নি। তাই খালেদা জিয়ার ওমরাহ না করার সম্ভাবনাই বেশি।
আরও পড়ুন-
বিএনপির জাতীয় ঐক্যের আহ্বান ষড়যন্ত্রমূলক: হানিফ
বৈশ্বিক পদ্ধতিকেই দায়ী করলেন ড. আতিউর রহমান
/এসটিএস/এফএস/টিএন/