তিনি বলেন, ‘গতকাল ২০ দলীয় জোটের সভায় জঙ্গিবিরোধী বিভিন্ন সভা-সমাবেশের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়া জঙ্গিদের নিয়েই জঙ্গিবিরোধী আন্দোলনে নেমেছেন। কারণ ওই সভায় জামায়াতেরও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সাংস্কৃতিক আন্দোলনই রুখতে পারে, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভাটির আয়োজন করে বাঙালি সাংস্কৃতিক জোট।
জামায়াত ইসলামের কথা উল্লেখ করে হাছান বলেন, ‘আমি বিএনপির নেত্রীকে অনুরোধ করবো, আপনি জামায়াতকে জোট থেকে বের করে দেন। কারণ যারা এই দেশটাকেই চায়নি, তাদের নিয়ে আবার কিসের জোট।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র জঙ্গি দমনে বাংলাদেশকে সাহায্য করতে চায়। কিন্তু তাদের ওখানেই হামলা হলো। আবার ব্রাসেলস, প্যারিসসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানেই সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে। তাই এটি একটি সামগ্রিক সমস্যা।’
এ সময় তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজকে ইসলামের নামে যারা ঈদের নামাজে ও মদিনার মসজিদে হামলা করছে, তারা প্রকৃতপক্ষে ইসলামেরই শত্রু।’
জঙ্গিবিরোধী আন্দোলনে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে জঙ্গিবিরোধী আন্দোলন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ঢাকাবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’
একই আলোচনা সভায় চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘পৃথিবীর সব থেকে বড় অস্ত্র হচ্ছে সাংস্কৃতি। আর সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম হচ্ছে চলচিত্র। তাই এসবের মাধ্যমেই গণমানুষকে জাগিয়ে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদকে প্রতিহত করতে হবে।’
সংগঠনের আহ্বায়ক সাইফুল আজম বাশারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, নাট্যকার ড. ইনামুল হক, স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী মো. আব্দুল জাব্বার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, চিত্রনায়িকা দিলারা জামান, চিত্র নায়িকা নূতন প্রমুখ।
- আর্টিজানের ঝোপে লুকিয়ে বাঁচার কথা জানালেন জাপানি নাগরিক তামাওকি
- তাহমিদের ব্যাপারে খোঁজখবর রাখছে কানাডা
এসআইএস/এজে/