রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে তারেকের শাশুড়ি রাজনীতি না করলেও তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা হয়েছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন বরং বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত। তিনি পারিবারিক দীর্ঘ ঐতিহ্য নিয়ে বিভিন্ন ধরণের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছেন। একজন অরাজনৈতিক সমাজসেবক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক নৌবাহিনী প্রধানের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এই রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ জুলুমবাজ সরকার পুলিশ, দুদক এবং আদালতকে ব্যবহার করে এতদিন বিরোধী দলীয় রাজনীতিকদের হয়রানি, নিপীড়ন ও নির্যাতন করলেও এবার তারা বিরোধী রাজনীতিকদের পরিবারের অরাজনৈতিক সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধেও একই ধরণের নির্যাতন ও হয়রানিমূলক আচরণ শুরু করেছে।’
দুদক ইচ্ছা করলে আয়কর বিভাগ থেকে যে কোনো ব্যক্তির আয় সম্পর্কে তথ্য নিতে পারে, মামলা করে হয়রানি করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে দুদক কোনো মামলা দায়ের করে না, বরং সেইসব দুর্নীতিকে বৈধতা দেয়।’
মির্জা আলমগীর বলেন, ‘দুর্নীতির কোনো অভিযোগ দাঁড় করাতে না পেরে আয়ের হিসাব চেয়ে মামলা করে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের মত আচরণ করা দুদক নামের প্রতিষ্ঠানটি দেশকে চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
/সিএ/এজে/