ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই সরকার এ দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। শিশু থেকে বৃদ্ধ নারী পর্যন্ত সম্ভ্রম হানি হচ্ছে। সরকারি দলের লোকজন ধর্ষণকারীদের আশ্রয় প্রশয় দিচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে কেউই ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। সময় এসেছে এসব অন্যায় অবিচার রুখে দেওয়ার। এই সরকারকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সরিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘এই সরকারের আমলে সব ক্ষেত্রে দুঃশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিনিয়ত খুন, গুম, ধর্ষণ সংঘঠিত হচ্ছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা না গেলে এ রকম চলতেই থাকবে। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ দেশের আইনজীবী সমাজের কঠোর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।’
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গাজী কামরুল ইসলাম সজল বলেন, ‘কেবল নারী ও শিশু নয়, এই সরকারের আমলে ব্যাংক, বীমা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব ধর্ষিত হয়েছে। সময় এসেছে সব পেশাজীবী সংগঠন একত্রিত হয়ে সরকারকে চিরতরে বিদায় করার।’
আবদুল্লাহ আল মাহবুবের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক সহ-সভাপতি এজে ভূঁইয়া, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, খন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলু, গাজী তৌহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, এম সাকিবুজ্জামান প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান, কাজী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, ব্যারিস্টার আশিকুর রহমান, মির্জা আল মাহমুদ, মাহমুদ হাসান, ব্যারিস্টার ইজাজ কবির, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান, মাহফুজ বিন ইউসুফ, ব্যারিস্টার মরিয়ম খন্দকার, রাশেদুল হাসান সুমন, জামিঊল হক ফয়সাল, মহসীন কবির রকি, শেখ শিমুল, আনিসুর রহমান রায়হান, কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ, মোহাম্মদ ইসাসহ শতাধিক আইনজীবী।