বঙ্গবাজারে আগুন

নিরপেক্ষ তদন্ত হলে ক্ষমতাসীনদের সম্পৃক্ততা বেরিয়ে আসবে: মির্জা ফখরুল

রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হলে ‘ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী লোকদের সম্পৃক্ততা বেরিয়ে আসবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘যদি প্রকৃত নিরপেক্ষ তদন্ত হয়, তাহলে সম্ভাবনা আছে এটা বেরিয়ে আসার যে— এটা সম্পূর্ণভাবে আওয়ামী লীগের দ্বারাই হয়েছে। বহু দিন ধরে শাসকগোষ্ঠীর কিছু অত্যন্ত প্রভাবশালী লোক সেই বঙ্গবাজারকে দখল করার জন্য চেষ্টা করছিলেন, কাজ করছিলেন। আমরা যেটা চেয়েছি যে, একটা নিরপেক্ষ তদন্ত।’

শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ১২ দলীয় লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা আদায়ে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘আপনারা জানেন, একটা গণআন্দোলন একইভাবে সমগতিতে, সমধারায় চলতে পারে না। তার আপস অ্যান্ড ডাউনস, তার তীব্রতা এবং বিভিন্ন পশ্চাৎপদতা থাকে; সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। আজ আমি এটুকুই বলতে চাই— আমাদের সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও প্রয়াস নিশ্চয়ই আমাদের আগামীতে জয়যুক্ত করবে, কামিয়াব করবে ও এই সরকারের পতন অবিসম্ভাবী করে তুলবে।’

02

বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে না দাঁড়িয়ে, বিএনপি ও ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে সরকার।’

বৈঠকের ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, এনডিপি‘র আবু তাহের, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুর রকীব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম ও জাগপার ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমানও বৈঠকে অংশ নেন।