চিকিৎসকের কাছে যুবদল পরিচয়ে চাঁদা দাবি, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

যুবদল নেতা পরিচয়ে চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে একটি চাঁদাবাজ চক্র। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী চিকিৎসকের কাছে যান সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।

শুক্রবার (১০) এপ্রিল দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর শ্যামলীর ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে ডা. কামরুলের সঙ্গে দেখা করেন তারা।

যুবদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের গ্রেফতারের কাজ করছে বলেও জানান তারা।

বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এক পোস্টে জানানো হয়েছে, যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে গিয়ে তাকে এ কথা জানান।

এ সময় ডা. কামরুল ইসলাম যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর শ্যামলীর চার নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালে খাবার সরবরাহের ঠিকাদারির কাজ নেয়। কিন্তু তিনি খাদ্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম নিতেন দেখে তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর সে লোকজন নিয়ে এসে হাসপাতালের স্টাফদের গালাগালি করেন ও টাকা চান।

এ সময় ওই ব্যক্তি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না, জানতে চান যুবদল সভাপতি মুন্না।

তখন অধ্যাপক কামরুল বলেন, মঈন বলেছিলেন তিনি যুবদলের নেতা এবং কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চান। এ বিষয়ে আমি জিডি করেছি। স্থানীয় নেতাদের জানালেও তারা কেউ কিছু করতে পারেননি।