শাহবাগ মোড় অবরোধ করলো ছাত্রশিবির

গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক নেতা নিহতের ঘটনার প্রতিবাদ ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। রবিবার (২১ জুন) রাত ১০টার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

তবে কিছুক্ষণ পরই তারা রাস্তা থেকে সরে যান। শাহবাগ থানার কর্তব্যরত অফিসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রাস্তায় তারা কিছুক্ষণের জন্য ছিল। পরে তারা রাস্তা ছেড়ে দেয়।

জানা যায়, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সড়ক অবরোধ করেন নেতাকর্মীরা। এতে মুহূর্তের মধ্যে মোড়ের একদিকের যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বিক্ষোভে বলেন, ‘গাইবান্ধায় আমাদের ভাই সাইফুল্লাহর ওপর যে বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না। বিএনপি যুবদলের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা প্রশাসনকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, অনতিবিলম্বে সাইফুল্লাহর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।’

এ সময় বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, শিল্প ও সংস্কৃতি সম্পাদক আবু মুসা, বায়তুলমাল সম্পাদক আনিসুর রহমান, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান আরমান, জসকু ভিপি রিয়াজুল ইসলামসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

এর আগে, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে গাইবান্ধা সাঘাটার বোনারপাড়া বাজারের (উপজেলা চত্বরে) চারমাথা চত্বরে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর ওপর হামলা করা হয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।