গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রবিবার (২১ জুন) রাতে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এই নিন্দা জানান। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।
বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া এলাকায় রবিবার দুপুরে প্রকাশ্য বাজারে সাবেক যুবদল নেতা মুকুল ও তার ভাই পলাশসহ সন্ত্রাসীরা ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও মেধাবী ছাত্র সাইফুল্লাহ বারীকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত বর্বর, কাপুরুষোচিত ও মানবতাবিরোধী।
একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে এ ধরনের রক্তক্ষয়ী ও পাশবিক হামলা কোনও সভ্য সমাজ ও সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমি এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতা মুকুল ও পলাশসহ সব খুনি ও সন্ত্রাসীকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা প্রশাসন ও পুলিশের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, কোনও রাজনৈতিক বা অন্যকোনও প্রভাব যেন এই স্পর্শকাতর মামলার তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, হামলায় গুরুতর আহত সাইফুল্লাহর বন্ধু সালাউদ্দিন বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, আমি নিহত সাইফুল্লাহ বারীর শাহাদাত কবুলিয়তের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তাআলা শোকাহত পরিবারকে এ কঠিন শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।









