‘দেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মূল ধারার রাজনীতিতে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলেছেন রাশেদ খান মেনন। এই বিষয়টি দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো উচিত।’ বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকালে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘৮০-তে জনতার মেনন’ শিরোনামে রাশেদ খান মেননের জন্মোৎসব ও সম্মিলন সভা অনুষ্ঠিানে এসব কথা বলেন তার রাজনৈতিক সহকর্মীরা।
৮০-তে জনতার মেনন উদযাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সিপিবির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, সঞ্জিব দ্রং, অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল প্রমুখ।
রাশেদ খান মেননের ৮০তম জন্মদিনে তাকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এবং ১৪ দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান আমির হোসেন আমু।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র বলেন, রাশেদ খান মেনন একটি রাজনৈতিক ইতিহাসের নাম। ছাত্রলীগ জীবন থেকেই মেনন গ্রুপ, মেনন গ্রুপ শুনেছি। সেই থেকে শুরু সংগ্রামের পথচলা বিরামহীনভাবে। অবস্থা আরও মর্যাদাশীল করে বাংলাদেশের রাজপথে, প্রতিটি আন্দোলনে তার সংগ্রামী নেতৃত্ব ছিল।
সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। আমাদের জীবনের বাস্তবতা আমাদের যেখানে নিয়ে যাবে, সেখানেই কাজ করতে হবে। আমরা একটা স্বাধীন দেশে, স্বাধীনভাবে নিশ্বাস নিয়ে বাঁচছি। এটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এই স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন।
জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ছাত্র ইউনিয়নের মেনন গ্রুপ আর মতিয়া গ্রুপ বুয়েট মাতিয়ে রাখতো। আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করেছি। মেনন চীনপন্থি, আমি বাংলাদেশপন্থি। জাতীয়তাবাদী ও সমাজতান্ত্রের মধ্যে বিরোধ ছিল। তবে পরে তা কমে এসেছে। রাশেদ খান মেনন একজন আপদমস্তক রাজনীতিক, মাওলানা ভাসানীর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন।
এ ছাড়া সিপিবির সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল খান বক্তব্য দেন।