সরকারি দল না থাকলে বিরোধী দলের অবরোধ পরিপূর্ণভাবে পালন হতো না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের একাংশের (রেজা কিবরিয়া) নেতারা।
সোমবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা এ মন্তব্য করেন। ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা-মামলা, গ্রেফতার বন্ধের’ দাবিতে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে এ সমাবেশ করেন তারা।
সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তারা যদি রাস্তায় না থাকতো, তাহলে আমাদের কর্মসূচি সফল হতো না। তারা যদি চোরাগোপ্তা হামলা না করতো, বাসে অগ্নিসংযোগ না করতো তাহলে মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার হতো না, অবরোধও পরিপূর্ণভাবে পালন হতো না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের আদেশে পুলিশ যে ধরনের আচরণ করছে সেটা কোনও গণতান্ত্রিক আচরণ নয়, পেশাদার আচরণ নয়। এটা ক্যাডার বাহিনীর আচরণ।’
গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ফারুক হাসান বলেন, ‘এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার আর কোনও অধিকার নেই। পুলিশের দায়িত্ব হলো, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। তারা কেন আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে? আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকবে? এই পুলিশ তো জনগণের টাকায় চলে।’
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বন্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারকে বলতে চাই, নেতাদের সঙ্গে গ্রেফতার গ্রেফতার খেলা বন্ধ করতে হবে।’
এ সময় পুলিশের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, আপনারা আমাদের ভাই। আপনাদের কাজ হলো জনগণকে রক্ষা করা। সরকারের কথা অনুযায়ী কাজ করবেন না।
সমাবেশে আরও ছিলেন– যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মাহবুব হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব শামসুদ্দিন, আসাদুল ইসলাম মুকুল, মুনতাসির মাহমুদ, শিরিন আক্তার প্রমুখ।