দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানকে নির্বাচন করতে বিএনপিতে যোগ দিতে অনুমোদন দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাচনি কৌশলের অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন রাশেদ।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে এমনটি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর।
নূর বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আমরা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষে আমরা রাষ্ট্র সংস্কার করবো। সে জন্য আমরা যারা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, আমরা একসঙ্গে নির্বাচন ও আগামীতে একসঙ্গে জাতীয় সরকার গঠন করবো।
তিনি বলেন, যেহেতু আন্দোলন বিএনপির নেতৃত্বে ও তাদের সামগ্রিক সমন্বয়ের মাধ্যমে হয়েছে, আমরা আগামী দিনেও একসঙ্গে থাকতে চাই।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, বর্তমান আরপিও'র বিধান অনুযায়ী জোট করলেও ভোট করতে হবে নিজেদের প্রতীকের মাধ্যমে। তবে স্বাভাবিকভাবে সব এলাকায় সব মার্কা নিয়ে জয়লাভ করা সম্ভব না। যে কারণে আমাদের যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অনেকে নির্বাচনে জেতার কৌশল হিসেবে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ পূরণ করে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছে। যেহেতু আমরা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি এবং সরকারও গঠন করবো, তাই অভ্যুত্থান পরবর্তী গত দেড় বছরে নিজেরা আলাপ আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একই ধারায় কাজ করেছি, সেহেতু কৌশলের অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন রাশেদ। আমরা তাকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমোদন দিয়েছি। সে সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করবে। শিগগিরই একজনকে আমরা ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করবো।